পৃথিবীর ৭ টি আজব পেশা, পড়লে হেসে হেসে পেট ব্যাথা করবে

172
আরোও পড়ুন :
ছবি : প্রতীকী

আমরা ছোট থেকে এটা শুনেই বড় হয়েছি যে, আমাদের ভালো করে পড়াশোনা শিখে নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে এমন ভাবে যাতে, ভালো রোজগার করতে পারি। এটাকেই আমাদের জীবনের মূল লক্ষ্য বলে আমাদের গড়ে তোলা হয়েছে। কিন্তু এই পোস্ট পড়লে আপনার সেই ধারণা বদলে যাবে। আমরা আজ আপনাকে এমন কিছু পেশার কথা বলবো যেগুলো করার ব্যাপারে আপনারা ভাবতেও পারেন না। এই পেশায় রোজগারও হয় মারাত্মক।

আরোও পড়ুন :

১) ক্ষমা চাওয়া পরিষেবা : জাপানের এক এজেন্সি আছে যারা মানুষের কাছে শুধু ক্ষমা চেয়ে ব্যবসা করে। আমি ভুল করেছি, আমায় ক্ষমা করে দাও।এই কথাটা বলার ইচ্ছা হয়েছে, কিন্তু বলতে পারছেন না! চিন্তা নেই আপনার হয়ে সরি, বা ক্ষমা চেয়ে নেবে এক সংস্থা। সেই সংস্থার কাছে যোগাযোগ করলে জাপানের যে কোনও মানুষের কাছে তারা আপনার হয়ে ক্ষমা চেয়ে নেয়। এদের পারিশ্রমিক কিন্তু বেশ চড়া। যতই হোক ক্ষমা কী আর সস্তায় হয়!!!

Loading...

২) শুধু খেয়ে যাওয়া : Mukbang বা gastronomic voyeurism হল দক্ষিণ কোরিয়ার এমন এক অনলাইন অ্যাকটিভিটি যেখানে খাওয়ার ভিডিও আপলোড করতে হয়। বিভিন্ন পদ শুধু খেয়ে ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হয়। শুধু খেয়ে ভিডিও আপলোড করে মাস গেলে ১০ হাজার ডলার বা প্রায় ৬ লক্ষ টাকা রোজগার করা যায়।

- Advertisement -

৩) মিছে মিছে বয়ফ্রেন্ড/গার্লফ্রেন্ড সাজা : কারও হয়তো বয়ফ্রেন্ড বা গার্লফ্রেন্ড নেই। তাদের সঙ্গী হওয়ার এক পরিষেবা হল ‘Fake Relationship Service’।

কী গো কেমন আছো! কী করছো! এভাবে সম্পর্ক এগোতে থাকে। ফোন বা নেটের মাধ্যমে। তবে কখনই দেখা সাক্ষাত্‍ হয় না। এই পরিষেবা যারা দেন তাদের সবসময় ছায়া প্রেমিক বা ছায়া প্রেমিকা হয়েই থেকে যেতে হয়। তা মিছিমিছি প্রেমিক বা প্রেমিকা হয়ে মাস গেলে লাখ ছয়েক টাকা রোজগার নিশ্চিত।

৪) ব্যবহৃত অন্তর্বাস বিক্রি করা : হ্যাঁ, যে কেউ নিজেদের অন্তর্বাস বেচতে বা কিনতে পারে এখথান থেকে। এই সংস্থার কাজই হল ব্যবহৃত অন্তর্বাস ক্রয়-বিক্রয় করা। ই বে-র সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে এই ব্যবসা বেশ রমরমিয়ে চলছে।

৫) মৃত মানুষের ছাই দিয়ে পোট্রেট বানানো : প্রিয়জন মারা গিয়েছেন। তাঁর স্মৃতিতে সবাই তো আর তাজমহল বানাতে পারেন না। তখন মৃত মানুষের ছাই দিয়ে পোট্রেট করে ঘরে সাজিয়ে রাখা হয়। এই শিল্প যারা করেন তাদের চাহিদা খুব। ছাইকে থ্রি প্রিন্টেড টেকনলজির মাধ্যমে পোট্রেটে পরিণত করা হয়।

৬) মিছিমিছি অপহরণকারী : মানুষের শখ যেমন ভারী অদ্ভুত। শখের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তেমন ব্যবসাটাও ভারী অদ্ভুত। এই যে এক্সট্রিম কিডন্যাপিং। বিদেশে অনেকেই বোরিং জীবন থেকে মুক্তি পেতে কিডন্যাপ হতে চান। হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন অপহৃত হতে চান। এদের চাহিদা হল কেউ ওদের মুখ বেধে, হাত বেধে অপহরণ করে নিক। বাড়ির লোক টেনশনে পড়ুক। এতে যদি তাদের প্রতি একটু নজর আসে বাড়ির লোকেদের। ফোন করলেই হাজির হয়ে যাবে এক্সট্রিম কিডন্যাপার বা মিছিমিছি অপহরণকারীরা

৭) মুখে চড় মারা : মুখে চড় মেরে ফেসিয়াল করা। হ্যাঁ, একবার বাঁ গালে চড় মারলে, ডান গাল বাড়িয়ে দেয় মানুষ। ঠিক গান্ধীজির কথা মত। চড় মারাটাই এদের পেশা। রোজগার অনেক।

আরোও পড়ুন :