লকডাউনের জেরে বেড়েছে স্মার্টফোনের ব্যবহার? অবশ্যই পড়ুন

42
- Advertisement -

ছবি : প্রতীকী

একটি কথা হয়তো অনেকেই স্বীকার করবেন আমরা এর আগে স্মার্টফোনের ওপর যতটা নির্ভরশীল ছিলাম, লকডাউনের পর থেকে আমাদের নির্ভরতা যেন কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। একথা সত্যি যে সোশ্যাল ডিস্টেনসিং কে মানতে স্মার্টফোন আমাদের জীবনকে সহজ করছে, ইন্টারনেট আমাদের জানার পরিধিকে বাড়িয়ে দিয়েছে কিন্তু এর পাশাপাশি বিকলাঙ্গ করে দিয়েছে আমাদের স্মৃতিশক্তিকে।

- Advertisement -

আমাদের রোজকার কাজ, বাজারের লিস্ট অবধি এখন আমরা স্মার্টফোনে সেভ করে রাখি এভং চাইলে ফোনের স্ক্রিনে হাত বুলিয়ে বাজারকে বাড়ি অবধিও নিয়ে আসতে পারি। আর মানুষের এই প্রবণতা দেখে চোখ কপালে তুলছেন ডাক্তাররা। কারণ এরকম চলতে থাকলে একটা সময়ের পর আমরা জড় পদার্থে পরিণত হবো।

মোবাইল, ইন্টারনেট কি আপনার ক্ষতি করছে? আপনার IQ কে কমিয়ে দিচ্ছে? আপনি কি ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ছেন? বুঝবেন কীভাবে?
১. প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য ডেক্সটপ, ল্যাপটপ অথবা স্মার্ট ফোনে সেভ করে রাখার প্রবণতা।
২. নিজের ফোন অথবা ল্যাপটপের সঙ্গে দিনের সব থেকে বেশি সময় কাটানো।
৩. সামনা সামনি কথা বলার থেকে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাধ্যমে কথা বলা। একে ওপরের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে ডেট করা।
৪. অফিসে বা বাড়িতে কাজের ডেডলাইনের কথা ফোনের মধ্যে সেভ করে রাখা। এমনকি কাজের সময় অথবা বাজারে গিয়ে কোনও জিনিসের কথা ভুলে গেলে চট করে ফোন অথবা ট্যাব থেকে দেখে নেওয়া।
৫. আপনার ফোন অথবা ট্যাব ছাড়া এক মুহূর্ত থাকার কথা আপনি স্বপ্নেও ভাবতে পারেন না। এমনকি যেখানে ফোনের ডাটা অন করা সম্ভব হয় না সেখানে আপনার নিজেকে কেমন পাগল পাগল লাগে।

তবে সমাধান আছে এই সমস্যারও। আপনি চাইলেই বেড়িয়ে আসতে পারেন এখন থেকে। তবে এটি একটি সময়সাপেক্ষ এবং মনসংযোগের বিষয়। তবে অসম্ভব নয়।

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের মাধ্যমে বেশি কথা না বলে সামনা সামনি কথা বলুন সকলের সঙ্গে। কারোর মনের ভাব বোঝার জন্য সামনা সামনি কথা বলা খুবই প্রয়োজনীয়। কিছু নতুন তথ্য জানার জন্য অবশ্যই ইন্টারনেটের সাহায্য নিন। কিন্তু ইন্টারনেটকেই আপনার অবসর যাপনের পন্থা বানিয়ে নেবেন না। ইন্টারনেট অথবা আপনার ফোনকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে অন্যদের গুরুত্বহীণ ভেবে নেবেন না।

আরোও পড়ুন :