মন্ত্রির দারস্ত হয়েও মেলেনি সুরাহা, বাঁকুড়ায় অনলাইনে ডেপুটেশন শ্রমদপ্তরে

407
- Advertisement -


অনিরুদ্ধ সরকার,বাঁকুড়াঃ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প সামাজিক সুরক্ষা যোজনা। যার গর্ব করা বৃক্ততা আজও জেলা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন শাসক দলের নেতা কর্মীদের ভাষনে শোনা যায়। কিন্তু সেই প্রকল্পের কর্মে নিযুক্ত হাজার হাজার এসএলও বেশ বিড়ম্বনায়। অসংগঠিত শ্রমীকদের সুরক্ষার জন্য প্রানপাত করা এসএলও দের মুনাফা ও সুরক্ষা কিছুই না মিললেও মিলছে কাজের বোঝা ভার। কার্যত সারা বাংলা এসএলও সংস্থানের বাঁকুড়া শাখার পক্ষ থেকে লিখিত স্মারকলিপি জমা করা হল। এদিন বাঁকুড়া জেলা তৃনমূল ভবনে জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামউন্নয়ন দপ্তরের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরার হাতে লিখিত স্মারক লিপি প্রদান করে জেলার শতাধিক এসএলও।

- Advertisement -

পাশাপাশি এদিন অনলাইনের ডেপুটেশন দেওয়া হয় জেলা শ্রম আধিকারিক তাপস কুমার দত্তের নিকট। জানা যায় রাজ্যের প্রায় দেড় কোটি অসংগঠিত কর্মচারীদের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধে প্রদান করে চলেছেন। এতদিন তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে সামাজিক সুরক্ষা যোজনার জন্য কালেকশন করা ২৫ টাকা সরকারের নির্দিষ্ট একাউন্টে দিয়ে এসেছে। জমা জমা দেওয়া শ্রমিক জমাকৃত টাকা থেকে ২ টাকা কমিশন পেয়ে আসছিল। ইতিমধ্যে গত চার মাস যাবৎ রাজ্য সরকার সেই পঁচিশ টাকা শ্রমিকদের থেকে না নিয়ে সরকারের তরফে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ফলত কমিশন থেকে বঞ্চিত হয় তারা। বর্তমানে তারা শ্রমদপ্তরের হয়েই কাজ করেন দৈনিক বা মাসিক রুজি নেই। মাসিক ২ টাকা কমিশন। তাই বাঁকুড়া জেলা এসএলও দের দাবী দীর্ঘদিন যাবৎ কমিশনের টাকা বাকেয়া রয়েছে ড্যাসবোর্ডের টাকা বকেয়া রয়েছে। পাশাপাশি পোর্টালে সমস্যা রয়েছে। শ্রম দপ্তর এসএলও দের উপরের সমস্ত কাজের ভার চাপিয়ে দিচ্ছেন। নতুন নির্দেশিকা দিচ্ছেন এই করোনা পরিস্থিতিতেও এখনো পর্যন্ত যে জেলাজুড়ে আঠারো হাজার ক্যাম ফিলাপ হয়নি সেই ক্যামগুলোতে ট্রেস-আনট্রেস করতে বলছে দপ্তর।

বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাদের অনলাইন ফিলাপ হয়েছে বা হয়নি সে বিষয়েই নির্দেশিকা দিচ্ছেন দপ্তর। কিন্তু তার পরিবর্তে মুনাফা নেই। সম্প্রতি সংগঠনের পক্ষ থেকে শ্রম মন্ত্রি মলয় ঘটকের নিকট দারস্ত হয়েও কোনো সমস্যার সমাধান হয়নি বলে দাবী জানান তারা। সংগঠনের বাঁকুড়া শাখার পক্ষ থেকে বাপ্পা মণ্ডল জানান আমাদের জেলায় ১৪০ জন এসএলও রয়েছে। আমাদের মধ্য অনেকের এটাই মূল জীবিকা যার উপার্জনের মাধ্যমেই সংসার চালান। বর্তমানে বেশ দুরবস্তার মধ্য দিয়ে চলতে হচ্ছে। সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

এবিষয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তর মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা তাদের আশ্বস্ত করে জানান বর্তমান পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য দপ্তর ও পিএইচইর মতো ইমারজেন্সি দপ্তর ছাড়া কোনো দপ্তর ছাড়া কোনো দপ্তরে কাজ সেরকম হয়নি। আমি রাজ্য নেতৃত্বের সাথে এবিষয়ে কথা বলবো অপেক্ষা করতে হবে শ্রিঘ্রি সমস্যার সমাধান হবে। জেলা শ্রম আধিকারিক তাপস কুমার দত্ত জানান কমিশনও ড্যাশবোর্ডে বকেয়া টাকা চেয়ে পাঠানো হয়েছে শীঘ্রই মিলবে পোর্টালের অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছিল তারা সে বিষয়ে আমরাও অনিশ্চিত এর মধ্যে রয়েছি অফলাইনে ফর্ম এন্ট্রি করতে বলা হয়েছে। এখন শুধুমাত্র ডেথ ক্লেম হবে বলে জানান। সমস্ত এসএলও দের তাদের নিজেদের মতো কাজ চালিয়ে যেতে বলেছি।

আরোও পড়ুন :