পেঁয়াজের এমন একটি গুন আছে, যা অধিকাংশ মানুষের কাছে অজানা

154
আরোও পড়ুন :
ছবি : প্রতীকী

প্রতিদিনের রান্নায় একটি অতি দরকারি এবং অত্যবশকীয় উপাদান হলো পেঁয়াজ। যারা আমিষভোজী তাদের প্রত্যেকদিনের রান্নায় পেঁয়াজ ভীষণভাবে ব্যবহৃত হয়। পেঁয়াজ আসলে রান্নায় স্বাদ বাড়িয়ে দিতে কাজ করে অনুঘটক হিসেবে। ডিমভাজা থেকে শুরু করে মাংস সবেতেই পেঁয়াজের অবাধ ব্যবহার। কেউ কেউ আবার খাওয়ার সময় কাঁচা পেঁয়াজ খেতে পছন্দ করেন। যে জিনিসটি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এইভাবে ব্যবহৃত হয়, সেই জিনিসটির উপকারী দিক সম্পর্কে আমাদের জানা উচিত। আসুন আমরা আজ জেনে নিই পেঁয়াজের উপকারী দিক গুলি কী কী?

আরোও পড়ুন :

যারা নিয়মিত একটা করে কাঁচা পেঁয়াজ খান তাদের শরীরে এত মাত্রায় ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে যে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়ে উঠতে সময় লাগে না। আর এমনটা হলে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না। ফলে আয়ু বাড়ে চোখে পরার মতো। নিয়মিত পেঁয়াজ খাওয়া শুরু করলে শরীরে ফলেটের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে ফিল গুড হরমোনের ক্ষরণ বেড়ে যায়। ফলে মন-মেজাজ চাঙ্গা হয়ে উঠতে সময় লাগে না। সেই সঙ্গে একদিকে যেমন স্ট্রেস লেভেল কমে, তেমনি মানসিক অবসাদও দূরে পালায়।

Loading...

শরীরের কোথাও পুড়ে গেলে ক্ষতস্থানে এক টুকরো পেঁয়াজ কিছু সময়ের জন্য রেখে দিন। অল্প সময়েই দেখবেন জ্বালা ভাব কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ক্ষতও সেরে গেছে। কাঁচা পেঁয়াজ খেলে মুখ গহ্বরের উপস্থিত ব্যাকটেরিয়াগুলি মরতে শুরু করে। ফলে মুখের দুর্গন্ধ দূর হয়। সেই সঙ্গে মাড়িতে নানাবিধ রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমে। মুখের বদ গন্ধের কারণে লোকসমাজে যদি প্রায়শই সম্মানহানী হয়ে থাকে, তাহলে রোজের ডায়েটে কাঁচা পেঁয়াজকে জায়গা করে দিতে ভুলবেন না যেন!

- Advertisement -

নিয়মিত কাঁচা পেঁয়াজ খেলে ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তির যেমন উন্নতি ঘটে, তেমনি নার্ভাস সিস্টেমের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। একটা পেঁয়াজকে কেটে নিয়ে তার রস সংগ্রহ করে নিন। তারপর তাতে কয়েক ড্রপ মধু মিশিয়ে এই মিশ্রন দিনে কম করে দুবার পান করলেই কাশি কমে যেতে শুরু করবে। আপনার যদি জ্বর হয় তবে, শোবার আগে একটা পেঁয়াজ কেটে নিন। তার সঙ্গে অল্প করে আলু এবং ২টি রসুনের কোয়া মিশিয়ে মোজার মধ্যে রেখে সেই মোজা পরে শুয়ে পরুন। এমনটা কয়েকদিন করলেই দেখবেন সুস্থ হতে শুরু করেছেন।

আরোও পড়ুন :