পিরিয়ড চলাকালীন মেয়েরা মন্দিরে প্রবেশ করতে না পারার পেছনে আছে এই পৌরাণিক কারনটি

10397
- Advertisement -
Image Source : Google

প্রতি মাসেই একজন সুস্হ সবল নারীর ঋতুস্রাব বা পিরিয়ড হয়।এই সময় ভীষণ অস্বস্তিকর কিছু শারীরিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় মেয়েদের।শারীরিক সমস্যা তো থাকেই সাথে মন মেজাজও বিগড়ে যায় মেয়েদের।তারপর আবার গোদের উপর বিষফোঁড়া ভারতীয় সমাজে প্রচলিত এই সময় কালীন পালনীয় কিছু নিয়মকানুন।এই নিয়ম অনুযায়ী মেয়েরা ঋতুস্রাবের সময় কোনও ধর্মীয় স্হান বা মন্দিরে প্রবেশ করতে পারবে না।

- Advertisement -

এই ঋতুস্রাব কেন হয় তা নিয়ে রয়েছে এক পৌরাণিক কাহিনি। একসময় অসুরেরা দেবতাদের ওপর আক্রমণ করে।দেবতাদের রাজা ইন্দ্র ভয় পেয়ে আশ্রয় নেন ব্রহ্মের কাছে।ব্রহ্মার কাছে তিনি জানতে চান কি করলে অসুরদের পরাস্ত করা যাবে এবং ইন্দ্রদেব আবার ফিরে পাবেন স্বর্গরাজ্য? তখন ব্রহ্মদেব এক ব্রহ্মজ্ঞানীর সেবা করার নিদান দেন।তিনি বলেন ওই ব্রহ্মজ্ঞানী ব্যক্তি যদি ইন্দ্রের সেবায় খুশি হন তাহলেই ইন্দ্র এই বিপদ থেকে মুক্তি পাবেন।এই নির্দেশ পালন করতে ইন্দ্রদেব এক ব্রহ্মজ্ঞানীর সেবা করতে থাকেন এবং তাকে বহু মূল্যবান সামগ্রী উপঢৌকন হিসেবে দান করেন।এই ব্রহ্মজ্ঞানীর মা ছিলেন এক অসুরপত্নী সুতরাং স্বাভাবিক ভাবেই অসুরদের প্রতি তিনি প্রীত ছিলেন।

ইন্দ্র প্রথমে এই সত্য জানতেন না পরে জানতে পেরে তিনি ভয়ানক ক্রুদ্ধ হয়ে ওই ব্রহ্মজ্ঞানীকে হত্যা করেন।গুরু হত্যা মহাপাপ। তাই এই পাপ এক রাক্ষস রূপ ধারন করে তারা করে ইন্দ্রদেবকে তিনি আশ্রয় নেন বিষ্নুর কাছে।বিষ্নু তাকে নিদান দেন যে ইন্দ্র যদি এই পাপ গাছ,জল ও মাটি ও নারীর মধ্যে ভাগ করে দেন তাহলে তিনি মুক্ত হবেন।ইন্দ্র নারীর মধ্যে এই পাপের ফল ভাগ করে দেন।নারী শাস্তি স্বরূপ এই ঋতুস্রাব লাভ করে।সেই থেকে প্রতিটি নারি ঋতুস্রাবের সময় কষ্ট পান।

আরোও পড়ুন :