মদ খেয়ে দিশেহারা অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী, তারপর ?

192
আরোও পড়ুন :

সাধারণ মানুষ যাকে গোদা বাংলায় ‘মদ’ বলে তাকে একটু শিক্ষিত ইন্টেলেকচুয়ালরা কিঞ্চিৎ গাম্ভীর্য মিশিয়ে বলে ‘সোমরস’, আর একটু পাশ্চাত্য ঘেঁষা লোকজন আবার ‘ড্রিংক’ ও বলে থাকে। তবে যে যাই বলুক না কেন, পুজোয়, ওকেশনে, বিবাহে, বিচ্ছেদে, সেলিব্রেশনে কিংবা ডিপ্রেশনে সবেতেই ভীষণ ভাবে খাপ খেয়ে যায় এই রঙিন পানীয়। বাঙালির দেবদাস থেকে সাহেবদের জেমস বন্ড সবাই কিন্তু রঙিন পানীয়ে গলা ভিজিয়েছে যুগ যুগ ধরে। ট্র্যাজিডি হোক বা কমেডি সবজায়গাতেই অবাধ যাতায়াত ‘সোমরসের’। তা এরকমই হঠাৎ একদিন ‘সোমরসে’ গলা ভিজিয়েছিলেন অভিনেতা ঋত্বিক চক্রবর্তী। আর তারপরেই বদলে গেল তার জীবন। বদলে গেল আশেপাশের পরিস্থিতি, মানুষজন, তাদের ব্যবহার বা হয়তো বদলে গেল ঋত্বিক নিজেই। আসলে যে কী হল? কেন হল? কীভাবে হল? তা পরিষ্কার নয় আমাদের কাছে। পরিষ্কার হবেই বা কী করে? এখন তো শুধু ট্রেলার লঞ্চ হয়ছে পুরো ছবি আসতে আরো দিন কয়েক অপেক্ষা করতে হবে।

পরিচালক ভিক নিয়ে আসছেন তাঁর প্রথম ছবি ‘বুড়ো সাধু’ যার গল্পের পরতে পরতে রয়েছে এমনই সব চমক। সারা টলিউড ইন্ডাস্ট্রির হার্ডকোর কমার্শিয়াল ছবির বেশিরভাগটাই যখন কপির কলঙ্কে কলঙ্কিত তখন একদম অন্য স্বাদের স্বতন্ত্র গল্প বলতে চলেছেন ভিক। যার অপেক্ষা বাঙালি বহুদিন ধরেই করছে। একটা আদ্যোপান্ত স্বতন্ত্র বাংলা ছবি যার কোথাও বিন্দুমাত্র কপির জায়গা নেই। পুরোটাই হবে একদম নতুন না বলা একটি গল্প।

পরিচালক ভিক ও অভিনেতা ঋত্বিক

ট্রেলার দেখে যা আমরা জানতে পারছি তা হল, ডুয়েল পার্সোনালিটি নিয়ে এক অদ্ভুত সমস্যায় ভুগছেন ঋত্বিক যা তার কেবলমাত্র একার সমস্যা। এই সমস্যার কথা সে কাউকে জানাতে বা বোঝাতে পারছেনা। অন্যদিকে বেকারত্বের জ্বালা, প্রেমিকার তাড়া এবং সবশেষে অসুখের ভ্যানতারা এইসব নিয়ে জেরবার ঋত্বিক ধীরে ধীরে ডুবে যাচ্ছে মদের গ্লাসে, বেছে নিচ্ছে আত্মহত্যাকে। সেখানে তার পরিচয় ঘটছে অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তীর সঙ্গে এবং যার পরেই বদলে যাচ্ছে ঋত্বিকের গোটা জীবন। এই নিয়েই এগোচ্ছে গোটা ছবির গল্প।

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন বাংলা ইন্ডাস্ট্রির এভারগ্রিন অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, ঋত্বিক চক্রবর্তী, ঈশা সাহা, মিশমি দাস এবং অন্যান্যরা। মিউজিক ডিরেক্ট করেছেন প্রাঞ্জল দাস এবং গান গেয়েছেন অনুপম রায়, লগ্নজিতা চক্রবর্তী, রূপম ইসলাম, তিমির বিশ্বাসের মতো টলিউডের প্রথম সারির গায়করা। সুতরাং নিঃসন্দেহে বলাই যায় এন্টারটেইনমেন্টের সমস্ত মশলা এই ছবিতে বর্তমান। সেখানে ‘বুড়ো সাধু’ আমাদের কতটা নেশা ধরাতে সক্ষম হবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে আর মাত্র কটা দিন।

আরোও পড়ুন :