আপনি কি সহজেই কেঁদে ফেলেন ? তাহলে জেনে নিন কান্নার সেরা ৫ টি উপকারিতা

86
- Advertisement -
ছবি : প্রতীকী

ছোটবেলায় যেকোন কারণে, রাগে, অভিমানে আমাদের চোখ থেকে জল বেরিয়ে পড়তো। সাতপাঁচ না ভেবেই আমরা কান্না জুড়ে দিতাম সকলের সামনে। কিন্তু, বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই কান্নার সম্পর্ক ব্যস্তানুপাতিক। আমরা বড় হয়ে সবার সামনে কাঁদতে লজ্জা পায় ভাবি হয়তো সবাই আমাকে দুর্বল ভাববে কিন্তু, তা সত্ত্বেও জীবনের কিছু চরম সত্যি, পরিস্থিতি আমাদের কখনো কখনো বাধ্য করে চোখের জল ঝরাতে। হয়তো সকলের সামনে আমরা নিজেদের সামলে নিই, কিন্তু একা সবার চোখের আড়ালে বা খুব গোপনে আমরা আমাদের সমস্ত আবেগ বেরিয়ে যেতে দিই চোখের জলের মধ্য দিয়ে। আজকে আসুন দেখে নিই কান্নার কী কী ভালো দিক আছে?

- Advertisement -

চোখের জল আমাদের চোখের মণিকে সিক্ত করার পাশাপাশি অনেক কোষের জলশূন্যতা দূর করে। চোখের উপরের পৃষ্ঠকে শুষ্ক হতে দেয়না। এটি আমাদের দৃষ্টিশক্তিকে উন্নত করে। অশ্রু ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে অশ্রুতে লাইসোসোম রয়েছে যা মাত্র পাঁচ মিনিটেই চোখের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে সক্ষম।

মনে রাখবেন কাঁদলে মাথাব্যাথা দূর হয়। কান্নাকাটিতে বিষক্রিয়াগত মাথাব্যাথা দূর হয়। মাথাব্যাথার কারণ মূলত দুশ্চিন্তা ও হতাশা। কান্নায় হতাশা অনেকটাই কমে যায় বলে মাথাব্যাথা দূর হয়ে যায়। কান্না হল এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে করে আমাদের দেহে এনডোরফিন নামক কেমিক্যাল নি:সৃত হয় এবং দুশ্চিন্তা কম হয়। তাই কাঁদলে আমাদের মন ভালো থাকে।

আপনি যদি ডিপ্রেসড থাকেন বা কোন বিষয় নিয়ে কষ্ট পান তাহলে, মন খুলে কাঁদলে হয়তো আপনার অবস্থার কোনো অবস্থা পরিবর্তন হবে না। কিন্তু আপনার হতাশা দূর হয়। একটি সাময়িক প্রশান্তির জন্য কান্না হতে পারে ভালো ঔষধ। মানুষ রেগে গেলে অনেক সময় ভুল কিছু করে বসে। রাগ কমানোর উত্তম রাস্তাই হচ্ছে কান্না। এটি আপনার সকল হতাশা দূর করবে।

আরোও পড়ুন :