একের পর এক চুরির ঘটনায় আতঙ্ক বাঁকুড়ায়, দেখুন সিসিটিভি ফুটেজের চিত্র

932
- Advertisement -


বাঁকুড়া শহরের বুকে একের পর এক চুরির ঘটনায় বেশ আতঙ্কিত শহরবাসী। একে করোনার দাপট তার উপর চুরির উপদ্রবে অতিষ্ঠ জনজীবন। বাঁকুড়া শহরের দুই নাম্বার ওয়ার্ডে একই সপ্তাহে দুবার চুরি। এক চুরির ঘটনার রহস্যের জট কাটতে না কাটতে আর এক চুরির কান্ড। একই ওয়ার্ডের কান্তি বাবুর লেনের চুরির রেশ কাটতে না কাটতে রবিবার ভোররাতে ফের চুরির ঘটনা ঘটল এই ওয়ার্ডের নাপিত গলিতে। পর পর তিনটি বাড়ীতে চুরির পর এদিন এখানকার দুটি বাড়ীতে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘনবসতিপূর্ন এলাকায় ধারাবাহিক ভাবে চুরির ঘটনায় কার্যত ব্যাপক ভাবে চাঞ্চল্য ছড়ায় শহর জুড়ে।

- Advertisement -

স্থানীয় সূত্রে জানা যায় এদিন চোরের দল তালা ভেঙ্গে দুটি বাড়ীতে ঢোকে। এবং অবাধে লুঠপাট চালায়। জানা যায় একটি বাড়ীতে প্রচুর পরিমান ইমেটেশনের অর্রনামেন্টের মজুত ছিল। সেই ঘটটিতে ঘন্টা দুই আপারেশন চালায় চোরের দল। অপারেশন চালানোর সময় আচমকা হাত থেকে লোহার শাবল মেঝেতে পড়ার শব্দে ঘটনা টের পেলে, লোকজন জেগে গিয়ে দুই চোরকে ঘিরে ফেলে। দোকানের সিসিটিভি ফুটেজেও দু জন দুস্কৃতি যুক্ত ছিল তা স্পষ্ট দেখা যায়। তবে তাদের মধ্য একজনের মুখ রুমাল দিয়ে ঢাকা ছিল। স্থানীয়রা ঘীরে ফেলার পর খবর পেয়ে পোদ্দার পাড়া মোড়ে ডিউটিরত সিভিক ভলেন্টিয়ারস ঘটনাস্থলে এসে চোরকে ধরতে গেলে তার হাতে ভোজালী দিয়ে আঘাত করে চম্পট দেয় চোরেরা।

এদিকে, এলাকায় ধারাবাহিক ভাবে চুরি হওয়ায় এলাকার মানুষ তাদেএ নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। বিক্ষুব্ধ স্থানীয় মানুষের অভিযোগ একই চোরের টিম এলাকায় পর,পর চুরির ঘটনা ঘটালেও তাতে কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করতে পারছে না বাঁকুড়া সদর থানা। কার্যত আতঙ্ক বাড়ছে সারা শহর জুড়েই। অনেকে বয়স্ক মানুষজন এলাকায় একাকী থাকেন। তারাও নিরাপত্তাহীনতা বোধ করছেন।

পাশাপাশি, চুরি যাওয়া ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আশিস দে জানান এলাকার মানুষজনের ফোন পেয়ে দোকানে আসি। তার আসার ঠিক আগেই চোরের দল চম্পট দিয়েছে। চোরের তার ক্যাস বাক্সে জমানো প্রায় ৩৫ হাজার টাকা নিয়ে চম্পট দেয়। ফলে লকডাউনের বাজারে এই চুরির ঘটনায় কপালে হাত দেওয়া ছাড়া তার আর কিছু নেই বলে জানান।

স্থানীয় বাসিন্দা তথা কংগ্রেস নেতা অরুপ ব্যানার্জী বার বার চুরির ঘটনায় এলাকার মানুষ যথেষ্ট আতঙ্কিত জানিয়ে বলেন, এভাবে চলতে থাকলে তাঁরা পথে নামতে বাধ্য হবেন। পুলিশ যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই দুস্কৃতিদের গ্রেফতার করতে না পারে তবে সারা বাঁকুড়া শহর ‘অচল’ করে দেওয়ার হুসিয়ারি দেন তিনি।

আরোও পড়ুন :