বয়স ২৫৬ বছর, কি খেয়ে এতবছর বেঁচে আছেন ফাঁস করলেন সংবাদমাধ্যমকে

16124
আরোও পড়ুন :
Image Source : Google

এই গোটা পৃথিবীতে অবাক করার দেওয়ার মতো ঘটনার সত্যিই কোনও অভাব নেই, সবসময়ই কোনো না কোনো অবাক করে দেওয়ার মতো ঘটনা এই পৃথিবীতে ঘটেই চলেছে। কিন্তু আমরা তার সবটা তো আর জানতে পারিনা, আর জানাটাও সম্ভব নয় সবসময়। তবে আসুন আজ আমরা এমন একটা ঘটনা নিয়ে কথা বলবো, যা শুনলে আপনিও রীতিমত অবাক হয়ে যাবেন।

আরোও পড়ুন :


আচ্ছা বলুন তো, মানুষের গড় আয়ু সাধারণত কত হতে পারে? একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের গড় আয়ু সাধারণত ৭০-৮০ বছরই হয়। হ্যাঁ, একজন সুস্থ মানুষ সাধারণত ৭০-৮০ বছরই বাঁচে। কিন্তু জানেন কি এমন একজন মানুষ ছিলেন যিনি ২৫৬ বছর পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। অবাক হচ্ছেন তাই না? আজ আমরা সেই মানুষটাকেই নিয়ে কথা বলবো।

Loading...

আসলে অবাক হওয়ারই কথা। আপনার হয়তো জানেন যে, পৃথিবীর একমাত্র দীর্ঘজীবী মানুষটির বয়স খুব বেশি হলে মেরে কেটে ১৩০ বছর। কিন্তু জানেন না হয়তো, লি চিং ইউয়েন বলে একজন ছিলেন, যার বয়স ২৫৬ বছর। হ্যাঁ আপনি ঠিকই শুনেছেন, এই মানুষটি ২৫৬ বছর বেঁচে ছিলেন। ১৯৩০ সালের নিউ ইয়র্ক টাইমস সংবাদপত্রে একটি খবর প্রকাশিত হয়, সেখানে, চেংদু বিশ্ববিদ্যালয় এর উ চুর চেই চীনের রাজাদের পরিচালিত সরকার ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা হয়েছিল। সেখানেই দেখা যায় যে ১৮২৭ সালে লি চিং ইউয়েন কে ১৫০ তম জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন, আবার ১৮৭৭ সালেও এই লি চিং ইউয়েন কে ২০০ তম জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানানো হয়।



জানা গেছে যে, এই লি চিং ইউয়েন মাত্র ১০ বছর বয়েস থেকেই হার্বাল বিজ্ঞানে নিজের হাত পোক্ত করতে শুরু করেছিলেন। মাত্র ওই ১০ বছর বয়সেই তিনি বুকে অসীম সাহস নিয়ে পাহাড়ের জড়িবুটি সংগ্রহ করতে চলে যেতেন। আর এইসব করেই তিনি এক দীর্ঘ জীবন লাভ করার ওষুধ খুঁজে পেয়েছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর তিনি কেবল এইসব হার্বাল উদ্ভিদ দিয়ে তৈরি খাবার খেয়েই বেঁচে ছিলেন। ১৭৪৯ সালে, তার বয়স যখন ৭১ বছর হয়, তখন তিনি মার্শাল আর্টের একজন শিক্ষক হিসেবে চাইনিজ সেনাবাহিনী তে যোগ দেন। শুনলে আরও অবাক হবেন, তিনি তাঁর সমগ্র জীবনে মোট ২৩ বার বিয়ে করেছিলেন, এবং প্রায় ২০০ সন্তানের পিতা তিনি। তিনি যেখানে জন্মেছিলেন, সেখানে তাঁকে নিয়ে অনেক গল্প প্রচলিত আছে, অনেকেই বলেছেন যে তিনি নাকি খুব ছোটবেলা থেকেই দ্রুত পড়তে পারতেন এবং লিখতে পারতেন। অনেক ছোটবেলা থেকেই নাকি হার্বাল উদ্ভিদের সন্ধানে তিনি তিব্বত, আনাম, সিয়াম, শানসি, কানসু, মাঞ্চুরিয়া এসব অঞ্চল চষে বেড়িয়েছেন।

আরোও পড়ুন :